ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet ৪৫ বোতল স্কাফ কফ সিরাপসহ ফরিদপুরে এক নারী গ্রেপ্তার Headline Bullet মেহেরপুরে অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্ট লিপুর বাগানবাড়িতে ডিবির অভিযান, পালালেন লিপু, আটক ১ Headline Bullet দামুড়হুদায় ডাকাতি মামলায় আসামি গ্রেফতার Headline Bullet দর্শনা পৌরসভায় প্রকৌশলী হারুনের দুর্নীতি: ডেন নির্মাণে অব্যাহতির পর এবার ডাস্টবিন ও সোলার লাইট অনিয়মের তদন্ত ও স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি Headline Bullet যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান: মাদক ও চোরাচালানি মালামালসহ আটক ১ Headline Bullet সন্ত্রাসী হামলায় আহত পৌর কর্মচারী সবুজকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা Headline Bullet রাত ৮ মধ্যে দোকানপাঠ শপিংমল বন্ধের নির্দেশ Headline Bullet কুষ্টিয়ার ইবিতে ভিক্ষুক শিশুকে বালাৎকারের অভিযোগে যুবক আটক Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ দুই নারী ও চার মাদকসেবীসহ মোট আটজনকেগ্রেপ্তার Headline Bullet শেরপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক নারীসহ আটক

হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুজন ভারতে গ্রেপ্তার

নকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রোববার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ছিল যে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধ করার পর দুই বাংলাদেশি নাগরিক তাঁদের দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। সুযোগ পেলে তাঁরা আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

এসটিএফ জানায়, তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে বনগাঁ এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। তাঁরা হলেন পটুয়াখালীর রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও ঢাকার আলমগীর হোসেন (৩৪)।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ সহযোগী আলমগীর হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা করেন এবং পালিয়ে যান। তাঁরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া।

স্পেশাল টাস্ক ফোর্স জানায়, এ বিষয়ে একটি মামলা করা হয়েছে। আজ সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার পর তাঁদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা–৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। এ জন্য তিনি বেশ কিছু দিন ধরে গণসংযোগ করে আসছিলেন। গত বছর ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছুক্ষণ পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাঁকে মাথায় গুলি করার পর আততায়ীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যুক্ত বাংলাদেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, শরিফ ওসমান বিন হাদি নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করেছিলেন। সেই রাজনীতির কারণেই ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করেছিলেন ফয়সাল করিম। তাঁকে সহযোগিতা করেন আলমগীর হোসেন। ফয়সাল করিম ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও আলমগীর আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী। এ হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর ছাড়াও সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলামও ভারতে পালিয়ে যান বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা।


     এই বিভাগের আরো খবর